পুরুষের যৌন রোগের গাছ গাছড়ার ঔষুধ ও ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা । মর্দামী শক্তি বাড়াবার উপায়

পুরুষাঙ্গের বিভিন্ন রোগ, ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা, লিংগ রোগ, জনো রোগের চিকিৎসা, এসটিডি টেস্ট, সিফিলিস রোগের লক্ষণ, রোগের নাম, পুরুষ রোগ বিশেষজ্ঞ,


রতি শক্তি বৃদ্ধির উপায়

১। জহুরা পানি দুধ কিংবা মধুর সাথে মিশিয়ে সাত দিন খেলে বতি শক্তি ঠিক থাকবে। 

২। প্রত্যহ রাতে শয়ন করার পূর্বে এক কোয়া বিশিষ্ট একটি পিঁয়াজ দশটি কালীজীরার সাথে চিবায়ে খেলে আশি বছর পর্যন্ত মর্দামী শক্তি পূর্ণ বহাল থাকবে। তবে নিয়মিত সেবন করতে হবে।

৩। কয়েক ফোটা মধু নিয়মিত লিঙ্গে মালিশ করলে আশি বছর পর্যন্ত লিঙ্গ মোটা, লম্বা ও লৌহদণ্ডের মত মজবুত থাকবে। 

৪। শিমুল মূলের রসে সামান্য চিনি মিশায়ে প্রত্যহ ভোরে সেবন করলে প্রতি শক্তি বৃদ্ধি পায় ।

৫। দুই তোলা পরিমাণ তেলাকুচার মূল অল্প পানি দিয়ে বেটে নিয়মিত সেবন করলে রতি শক্তি বৃদ্ধি পায়। 

৬। নিয়মিত কিছুদিন চড় ই পাখির মাংস ভুনা করে খেলেও রতি শক্তি বৃদ্ধি

৭। মিশূল গাছের মূল দুই আনা পরিমাণ, আমলকি চূর্ণ দুই আনা, জায়ফল চার রতি ও পরিমাণ মত মাখন ও মিছরী চূর্ণ একত্রে মিশায়ে নিয়মিতি সকালে ও রাতে ঠাণ্ডা পানিসহ সেবন করলে অতি তাড়াতাড়ি ফল পাওয়া যায়।

ধাতু দৌর্বল্য রোগ ও তার প্রতিকার

১। তিন তোলা পরিমান ছোলাবুট রাতে ধৌত করে ভিজায়ে রখবে সকাল বেলা ঘুম হতে উঠে হাত মুখ ধৌত করে খালি পেটে চিবায়ে সেবন করবে। এভাবে একাধারে অন্ততঃ একমাস সেবন করলে ধাতু দৌর্বল্য ভাল হয়ে যায়।

২। রাতে শুবার পূর্বে এবং সকালে ঘুম হতে উঠে খালি পেটে আধা সের পরিমাণ ঠাণ্ডা পানি পান করলে এবং সকালে নিয়মিত গোসল করলে ধাতু দৌর্বল্য রোগ হতে মুক্তি ওয়া যেতে পারে।

৩। কৃষ্ণ তিল ও আমলকি সমপরিমাণ চূর্ণ করে কাপড় দ্বারা ছেকে নিতে হবে। প্রত্যহ রাতে শয়নকালে এক তোলা পরিমাণ চূর্ণ মুখে দিয়ে এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি পান করতে হবে। এভাবে নিয়মিত ২১ দিন পান করতে হবে। এভাবে নিয়মিত ঔষধ সেবন করলে শীঘ্রই পাতলা ধাতু ঘাঢ় হয়ে ধাতু দৌর্বল ভাল হবে।

৪। মিশুল গাছের মূল শুকায়ে চূর্ণ করে কাপড়ে ছেঁকে নিতে হবে। প্রত্যহ রাতে শয়ন করার সময় ১ তোলা পরিমাণ শিমূল মূলের চূর্ণ আধা পোয়৷ পরিমাণ ছাগলের দুধের সাথে মিলায়ে সেবন করতে হবে। এভাবে ২১ দিন সেবন করলে ধাতু দৌর্বল্য রোগ আরোগ্য হয়।

৫। প্রত্যহ রাতে আধা ছটাক পরিমাণ ইছবগুলের ভূষি ভিজায়ে রাখতে হবে। পরদিন সকাল বেলা খালি পেটে একপোয়া পরিমাণ ছাগলের দুধ ও সামান্য চিনি মিশাইয়া দুই থেকে তিন সপ্তাহ সেরন করিলে এই রোগ হতে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৬। যাদের বির্য পাতলা ও তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় তাদের জন্য এই ঔষধ অত্যন্ত উপকারি, এক তোলা পরিমাণ ইছবগুলের ভূষির সাথে আধা সের পরিমাণ গাভীর দুধ মিশায়ে খাবার মত অর্থাৎ পরিমাণ মত মিছরী মিশায়ে অল্প অল্প আগুনে জাল দিয়ে গাঢ় করে নামায়ে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে এভাবে একুশ দিন পর্যন্ত সেবন করতে হবে। তাহলে অতি শিঘ্রই পাতলা বীর্য গাঢ় হবে।

হারানো যৌবনকে ফিরে পাওয়ার উপায়

প্রথমে একটি মুরগির ডিমের কুসুম নিতে হবে। যে পমিািণ কুসম নিবে ঠিক সে পরিমাণ খাঁটি মধু ও খাঁটি ঘি নিতে হবে। পরে সমপরিমাণ ছোট পিঁয়াজের রসের সাথে উত্তমরুপে মিশায়ে অল্প আগুনের ধাপে জ্বাল দিয়ে হালুয়ার ন্যায় তৈরি করবে। এই সবটুকু হালুয়া সকালে খালি পেটে সেবন করে ফেলবে। একই নিয়মে চল্লিশ দিন যাবৎ তৈরি করে সকালে খালি পেটে সেবন করতে হবে নিয়মিত চল্লিশদিন খেলে দেখবে যাদের যৌবন একেবারে নেই তারাও নবযৌবন লাভ করবে এবং শক্তিশালী যুবকে পরিণত হবে।

ধ্বজভঙ্গ রোগের চিকিৎসা

১। যাদের লিঙ্গের উত্তেজনা শক্তি একবারে কম তারা এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করলে উপকার পাবেন। প্রথমে পরিমাণ মতো একটা পান নিবে উক্ত পানে খাঁটি ঘি মাখায়ে আগুনে গরম দিবে উক্ত পান গরম গরম অবস্থায় লিঙ্গে পেচায়ে বেঁধে রাখবে এবং সকলে খুলে ফেলবে এরূপে কম হলেও একুশ দিন পর্যন্ত বাঁধতে হবে তাহলে লিঙ্গে শীঘ্রই উত্তেজনা শক্তি ফিরে আসবে। এ সময় সকাল বেলার ভিজানো ছোলাবুট ও মাখন ও পুষ্টিকর খাদ্য নিয়মিত খেতে হবে।

২। যে আমে বীজ হয় না বা আটি হয় নি, সে আম ছোট ছোট করে কেটে রৌদ্রে শুকায়ে গুড়ো করে উত্তমরূপে ছেকে নিতে হবে। উক্ত গুড়ো এক তোলা পরিমাণ সমপরিমাণ আখের গুড়ের সাথে মিশায়ে এক সপ্তাহ পরিমাণ সকালে খালি পেটে সেবন করলে যাবতীয় ইন্দ্রীয় দোষ ভাল হয়ে যাবে।

৩। শতমূলী দুই তোলা দুধ ষোল তোলা ও পানি চোষট্টি তোলা একত্রে আগুনে জাল দিয়ে ষোল তোলা থাকতে নামাবে। এক তোলা পরিামণ ঔষধ নিয়ে দুই থেকে তিন চামচ চিনি মিশায়ে সেবন করবে এ ঔষধ বছরে একবার ব্যবহার করা চলে। এ ঔষধ সেবন করলে কোন দিন ইন্দ্রিয় শক্তি দুর্বল হতে পারে না।

৪। যারা যৌন ক্ষমতা পুরোপুরি হারায়ে ফেলেছেন পুরুষাংগ দুর্বল বা নিস্তেজ হয়ে গেছে, তাদের জন্য একটি চমকপ্রদ ঔষধ হল এই, একটি পাকা বেল ভাঙ্গার পর ভিতরে কতগুলো লম্বা লম্বা আঠাল কোষ পাওয়া যাবে। আমরা তাকে বিচি বলি । উক্ত বিচি মূল আঠার সাথে সমপরিমাণ পাকা সবরি কলা নিয়ে উত্তমরূপে চটকায়ে পুরুষাংগে প্রলেপ দিয়ে একটি পান দিয়ে লিঙ্গ পেচায়ে দৈনিক দুই ঘণ্টা বেধে রাখতে হবে। এভাবে তিন থেকে চার সপ্তাহ ব্যবহার করলে দুর্বল পুরুষাংগ শীঘ্রই সতেজ ও সবল হয়ে উঠবে।

কাম শক্তি বৃদ্ধি করার ঔষধ

ঔষধঃ আমাদের দেশে দুই জাতের ডুমুর পাওয়া যায় বড় জাতের যক্ষডুমুর সেই ডুমুরের রস আধা তোলা পরিমাণ নিবে এবং আধা তোলা পরিমাণ বেল পাতার রস মিশায়ে সহবাসের সময় সেবন করলে দুই ঘণ্টার ও অধিক সময় সহবাস করা যায় এ নিয়মে সপ্তাহে একবারের বেশি সহবাস করা উচিত নয়। অনেকে মনে করে বেল পাতায় রস হয় না, তবে নিয়ম জানা থাকলে রস বের করা যায়। যেমন ঃ কলাগছের মোচা কাটলে যে কস বের হয় উক্ত কস কচি বেল পাতার সাথে মাখায়ে রৌদ্রে শুকায়ে রগড়ালে বেল পাতার রস বের হয়ে যাবে।

প্রশ্নঃ কোন জিনিস ব্যবহার করলে স্ত্রী সঙ্গমের জন্য পুরুষ ব্যাকুল হয়ে পড়ে এবং ঐ জিনিস ব্যবহার করে স্ত্রী সঙ্গম করলে স্ত্রীর গর্ভধারণের আশঙ্কা থাকে না বলে ভেজক বিজ্ঞানে উল্লেখ আছে।

উত্তরঃ জিনিসটি হলো শুঁঠ, বা আধা শুকালেই তাকে শুঁঠ বলে। ওঁঠ চূর্ণ সিকি পরিমাণ ও সমপিরমাণ আকর করা চূর্ণ একত্রে পরিমাণ মতো মধু নিয়ে উত্তমরূপে চটকায়ে নিতে হবে এবং সহবাসের পূর্বে পুরুষাঙ্গে লাগায়ে যৌন সঙ্গম করলে ঐ সঙ্গমে গর্ভধারণের কোন সম্ভাবনা থাকে না।

মর্দামী শক্তি বাড়াবার উপায় 

১। মর্দামী শক্তি ও শারীরিক শক্তি বাড়াবার হালুয়া ৪ দিয়ে মছলী, হুফিদ মদুলি, আকর করা, কাবাব চিনি, কলু ও শুন্টি প্রত্যেকটি নয় মাষা করে ও এলাচি, মরিচ কাংগল প্রত্যেকটি এক তোলা করে এবং জাতিফল ১০ তোলা করে অশ্বগন্ধা আড়াই তোলা বাবুল গুণ এক সের পরিমাণ মিছরি, চিনি, ঘি এক সের করে নিতে হবে, তারপর বাবুল গুণকে টুকরো টুকরো করে কেটে নিয়ে রৌদ্রে শুকায়ে নিতে হবে। এবার বাবুল গুণকে অল্প অল্প ঘি দিয়া ভুনে খৈ করে নিয়ে পিষে লতে হবে। এবার একটা লোহার কড়াইতে চিনি ও মিশ্রি পানির সঙ্গে মিলাইয়া আগুনে জাল দিয়া ঘন করে নিতে হবে। এমনভাবে জাল দিবে যেন লাসা যুক্ত হয়। এখন পিষে বাবুল কড়াইতে দিয়ে উত্তমরূপে নেড়ে নিবে যখন উত্তমরূপে মিশায়ে ঘন হবে তখন নামায়োমসল্লার গুঁড়া ঘৃতে ভিজানো কড়াইতে ঢেলে দিয়ে উত্তমরূপে মিশায়ে নিবে। দৈনিক সকালে খালি পেটে গরুর দুধের সাথে দুই থেকে আড়াই তোলা পরিমাণ সেবন করলে মর্দামী শক্তির সাথে শারীরিক শক্তিও বৃদ্ধি পাবে।

২। তিষির শ্বাসের গুঁড়া আধা তোলা, চার আনা পরিমাণ গোল মরিচ, আধা তোলা পরিমাণ মধুতে মেখে নিতে হবে। সবগুলি একত্রে মিশায়ে দৈনিক সকালে একবার করে সেব করলে নিয়মিত চৌদ্দ থেকে একুশ দিন সেবন করতে হবে। যারা মর্দামী শক্তি একেবারে হারিয়ে ফেলেছেন তারা নিয়মিত সেবন করলে পুনরায় মর্দামী শক্তি ফিরে পাবেন।

মোরগের হালুয়া

একটি জোয়ান এক ডাকের মোরগ জবেহ করে মাংসটা সিদ্ধ করে পাটায় পিষে নিতে হবে। তারপর এক সের মিছরির শিরার মধ্যে আধা পোয়া পরিমাণ মধু এক পোয়া পরিমাণ ভাল ঘ্রিত গোস্তের মধ্যে দিয়ে আস্তে আস্তে জাল দিবে এবং নাড়িতে থাকবে। যখন দেখবে যে পাক হয়ে এসেছে তখন আশিটি গোল মরিচ ও আধা তোলা ছোলা, এলাচি আধা তোলা, যাত্রিক আধা তোলা ও চার তোলা জাতিফল গুড়ো করে মাংসের মধ্যে দিয়ে উত্তমরূপে মিশায়ে নিবে। প্রত্যহ এক ছটাক পরিমাণ সকালে সেবন করবে অল্প দিনের মধ্যেই বল শক্তি ও মর্দামী শক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

শক্তিহীন লোকের জন্য ফুরাতে নওজোয়ান হালুয়া

প্রণালী: প্রথমে এগুলো নিন। তাল মাখানা তিলের শাঁস, তিশির শাস, তুলা গাছের মূল এ সমস্ত গুড়ো প্রত্যেকটি এক পোয়া করে, ও কাংগল প্রত্যেকটি দুই তোলা করে, দারচিনি, কাবাব চিনি, জাতি ফল ও আকর করা এক তোলা করে, ভাল ঘৃত আধা সের, চিনি এক সের লং এলাচি, যাত্রিক, বহ প্রতিটি এক তোলা করে। মিছরি এক সের ও দুধ আড়াই সের পরিমাণ নিতে হবে।

কিভাবে তৈয়ার করবেন?

এবার তিষির শাঁস ও তিলের শাঁস বের করে বেটে নিতে হবে। বাদাম বিনা পানিতে বেটে নিতে হবে। তারপর তাল মাখানা কুটে মিহিন করে গুড়া করে নিতে হবে পরে তুলার মূল গুড়া করে ছালেম মিশ্রি দুধের মধ্যে ভিজায়ে নিতে হবে। এবার উক্ত ছয় পদ তিষি, তিল, তাল মাখানা, ছালেম মিত্র, বাদাম, তুলার মূল আড়াই সের গরুর দুধের সাথে চিনি মিশ্রি দিয়ে সিরা প্রস্তুত করে নিতে হবে। এমনভাবে সিরা প্রস্তুত করতে হবে যাতে লাসাযুক্ত হয়। যখন তা পুরা লাসাযুক্ত হবে তখন তিলের শাঁস ও তিষির শাঁস তারপর বাদাম ও ছালেম মিশ্রি, তুলার মূল, তাল মাখানা দিয়ে ভালরূপে মিশায়ে দিতে হবে। প্রত্যেক জিনিস দিবার সময় উত্তমরূপে নেড়ে দিতে হবে তখন ১২ পদ মসল্লার গুড়ো এবং ঘৃত চুলা হতে নামায়ে তার মধ্যে দিবে এবং নেড়ে উত্তমরূপে মিশায়ে দিবে। প্রকাশ থাকে যে যখন হালুয়া জালে চড়াবে তখন মসল্লার গুড়ো ঘৃতের মধ্যে ভিজায়ে রাখবে এবং দুই হতে আড়াই তোলা পরিমাণ প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাবে । দেখবে অল্প দিনের মধ্যে শারীরিক শক্তি ও মর্দামী শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

সহবাসে ধাতু যাদের তাড়াতাড়ি বের হয় তাদের জন্য

আধাসের পরিমাণ শুকনা তেঁতুলের বিচি হামান দিস্তায় কুটিয়ে বিচির খোষা ফেলে দিয়ে পুনরায় শাঁসটা আবার গুড়া করে নিবে যাতে ময়দার মতো হয় উক্ত চিনি অথবা গুড় দিয়ে সকালে খালি পেটে চল্লিশ দিন পরিমাণ খাবে ইনশৃআল্লাহ গুঁড়া এক তোলা পরিমাণ নিয়ে দেড় ছটাক পরিমাণ পানিতে মিশায়ে কিছু দিন শীঘ্রই ধাতু গাঢ় হবে। এবং তাড়াতাড়ি ধাতু নির্গত হওয়া বন্ধ হবে। ফলে যৌন মিলনেও তৃপ্তি পাবে ।

উত্তেজনা শক্তি বৃদ্ধির উপায়

১। বিদায়ী কন্দচূর্ণ-১৪ গ্রাম, গুলঞ্চের রস-১২ গ্রাম, গরুর ঘৃত ১ চামচ ও গরম দুধ ২৫০ গ্রাম নিতে হবে। এবার সবগুলো একত্রে মিশায়ে প্রত্যহ সকালে সেবন করতে হবে। একভাবে ২১ দিন সেবন করলে নপুংসকতা আরোগ্য হয় এবং বলবীর্য বৃদ্ধি করে শুক্রতারল্য দূর হয় ।

২। কৃষ্ণতিলার মুল ৩ গ্রাম ও গোক্ষর চূণ ৩ গ্রাম নিতে হবে। এবার এক পোয়া পরিমাণ ছাগলের দুধের সাথে মিশায়ে উত্তমরূপে জাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে এবং প্রত্যহ সকালে খেতে হবে। এভাবে ২১ দিন পর্যন্ত খেতে হবে তাহলে দেখবেন অচিরেই আপনার নংপুংসকতা দূর হয়ে শরীরে বলশক্তি ফিরে এসেছে।

৩। টঙ্গন বীজ ২৮ গ্রাম কুঞ্জবীজ ৪২ গ্রাম ও গোক্ষুর বীজ ৫২ গ্রাম নিতে হবে। এবার এগুলো উত্তমরূপে চূর্ণ করে কাপড়ে ছেঁকে নিতে হবে। এবার রাতে শোবার পূর্বে ৬ গ্রাম পরিমাণ চূর্ণ ঠাণ্ডা পানিসহ সেবন করে এক পোয়া পরিমাণ অল্প অল্প গরম দুধের সাথে পরিমাণ মত মিছরি নিয়মিত এক মাস সেবন করলে অবশ্যই পুরুষত্ব শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

৪। শুকনা আমলকী ৫০ গ্রাম উত্তমরূপে চূর্ণ করে পরিষ্কার কাপড়ে ছেকে নিতে হবে এবং কিছু পরিমাণ আমলকি পিষে রস বের করে নিতে হবে ঐ রসের সাথে আমলকি গুড়া উত্তমরূপে মিশায়ে অল্প আঁচে শুকায়ে পুনরায় রৌদ্রে শুকায়ে শুষ্ক করে নিতে হবে। এবার ঐ চূর্ণের সাথে মিছরি গুঁড়া করে পরিমাণ মতো মধু নিয়ে প্রত সকালে করলে নপুংসকতা নাশ হয়।

অধিক স্বপ্নদোষের কারণে যদি নপুংসকতা ও শুক্র তারল্য দেখা দেয় তাহলে কি করবেন?

সালাম মিছরী ২০০ গ্রাম। শ্বেত মুসরী ১০০ গ্রাম। সকাকুল মিছরী ২০০ গ্রাম। কালো মুসরী ১০০ গ্রাম। সিংঘাড়ের আঠা ৫০ গ্রাম ও চিরিডাল চূর্ণ ৫০ গ্রাম। এগুলো সব চূর্ণ করে পরিষ্কার কাপড়ে ছেকে নিতে হবে তারপর ৩ কিলো গরুর দুধে ঐ চূর্ণ মিশায়ে অল্প আঁচে ফুটিয়ে নিয়ে গাঢ় হলে তারপর ৫০০ গ্রাম গব্যঘৃত ও ৭৫০ গ্রাম চিনি মিশিয়ে আরো কিছুক্ষণ আগুনে ফুটিয়ে খুব ঘন বা একটু শক্ত হলে একটি কাঁচের পাত্রে রেখে দিতে হবে।

এবার প্রত্যহ সকালে ও রাতে ১০ গ্রাম করে সেবন করতে হবে। খাওয়ার পরে কম করে হলেও ২৫ গ্রাম পরিমাণ হালকা গরম মিছরী মিশানো দুধ পান করলে এ ধরনের নপুংসকতা তাড়াতাড়ি দূর হয়।

যৌন ক্ষমতা যাদের নেই তাদের জন্য জরুরি চিকিৎসা

১। যৌবনে যারা রতিক্রিয়ায় একেবারে অক্ষম, বয়স বৃদ্ধির কারণে যদি রতিক্রিয়ায় অক্ষম হয়। যৌবনে অতিরিক্ত অনাচার অত্যাচার জনিত কারণে যদি কারো নপুংসকতা দেখা দেয় তাহলে কালবিলম্ব না করে নিজে নিজে এ ঔষধ তৈরি করে সেবন করুন। এর নাম হলো মদন মঞ্জুরী বটিকা।

প্রস্তুত প্রণালীঃ শুট ১০০ গ্রাম, গোল মরিচ ১০০ গ্রাম, পিপুল ১০০ গ্রাম, পারদ ২ গ্রাম, পত্রজ ১০০ গ্রাম, নাগকেশর ১০০ গ্রাম ছোট এলাচ ১০০ গ্রাম, জায়ফল ৫০ গ্রাম, লবঙ্গ ৫০ গ্রাম ও জয়ত্রী ২৫ গ্রাম এগুলো সম্পূর্ণ চূর্ণ করে পরিষ্কার কাপড়ে ছেকে নিতে হবে। তারপর ২৫০ গ্রাম গব্যঘৃত ৬৫০ গ্রাম মধু একত্রে মিশায়ে ১৫ গ্রাম পরিমাণ বড়ি তৈয়ার করে নিবে। উক্ত বড়ি প্রত্যহ রাতে একত্রে মিশায়ে ১৫ গ্রাম পরিমাণ বড়ি তৈয়ার করে নিবে। উক্ত বড়ি প্রস্তাহ রাতে পানিসহ সেবন করে মিশ্রি বা চিনি মিশ্রিত এক গ্লাস পরিমাণ দুধ পান করতে হবে। দুই মাস পর্যন্ত এ ঔষধ সেবন করলে বৃদ্ধ ব্যক্তিও ২৪ ছরের যুবকের মত শক্তি অনুভব করবে। বৃদ্ধ ও যুবক উভয়েরই এ ঔষধ সবন করতে পাবে।

২। হস্ত মৈথুনজনিত কারণ ও মাদক দ্রব্য জনিত কারণ ও অধিক পরিশ্রম, চিন্তা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে যদি রতি ক্ষমতা হারায়ে যায় অথবা যদি দীর্ঘ পতন হয় তাহলে নিচের ঔষধগুলো তৈরি করে ব্যবহার করুন।

পোস্ত ৩০০ গ্রাম ও নাজুফল ৪০০ গ্রাম নিন। ১০ কিলোগ্রাম পানিতে দিয়া উত্তমরূপে ফুটান। যখন দেখবেন এক কিলোর কিছু কম আছে তখন জায়ফল ৫ গ্রাম, লবঙ্গ ৫ গ্রাম, বিদারী কন্দ ১০ গ্রাম, শিমুল বীজ ১০০ গ্রাম, নাগশের ৫ গ্রাম, শুঁঠ ১০০ গ্রাম, পুরাতন ইক্ষুর গুড় ৫০০ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে যা চূর্ণ করা যায় সেগুলো চূর্ণ করে নিবেন। তারপর পানিতে মিশায়ে ৫ কিলোগ্রাম গরুর দুধের সাথে মিশায়ে আগুনে ফোটাবেন। দেখবেন যখন ৫০০ গ্রাম পরিমাণ থাকবে তখন পুরাতন গুড় ঢেলে দিয়ে আবার অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। যখন দেখবেন যে শক্ত শক্ত ভাব হয়ে উঠেছে, তখন একটি আমলকী পরিমাণ বড়ি তৈরি করে নিবেন। এবার সকাল ও সন্ধ্যায় ঠাণ্ডা পানিসহ একটি করে বড়ি সেবন করতে হবে। এভাবে ২১ দিন বড়ি সেবন করলে যে কোন ধরনের পুরুষত্বহীনতা দূর হয়। এটা একটি বাজীকরণ, ঔষধও বটে

৩। ২৫০ গ্রাম কুঁজ বীজ, একপোয়া পরিমাণ গরুর দুধে সিদ্ধ করে নিতে। হবে। দুধ যখন শুকায়ে যাবে তখন বীজগুলো তুলে নিয়ে চূর্ণ করে একটি শিশিতে ভরে রাখবে তাতে সামান্য মধু ও এক চামচ গব্য ঘৃত মিশিয়ে সকালে ও রাতে চার গ্রাম করে দুই মাস পর্যন্ত সেবন করতে হবে। ঠিক মতো সেবন করলে যে কোন কারণেই নপুংসকতা হোক না কেন তা ইনশৃআল্লাহ আরোগ্য হবেই।

৪। রতি ক্ষমতাহীনতা, নপুংসকতা ও দুর্বলতা যদি দেখা দেয় তাহলে এই ঔষধ সেবন করবেন। অশ্বগন্ধা ১০০ গ্রাম, জয়ত্রী ১০০ গ্রাম, জায়বশ ৫০ গ্রাম, লবঙ্গ ৪০ গ্রাম, দ্বারচিনি ৫০ গ্রাম ও কৃষ্ণ তিল ৫০০ গ্রাম নিতে হবে। কৃষ্ণ তিল খোষা ছাড়ায়ে ভালভাবে চূর্ণ করে সাদা কাপড়ে ছেকে নিতে হবে। অতঃপর উক্ত ঔষধগুলো গুড়া করে উত্তমরূপে ছেকে নিতে হবে। এরপর পরিমাণ মতো মধু নিয়ে উত্তমরূপে মিশায়ে সমান ভাগে ৪২টি বড়ি তৈরি করে নিতে হবে। প্রত্যহ সকালে ও সন্ধায় ১টি করে বড়ি ঠাণ্ডা পানিসহ সেবন করতে হবে; কিন্তু ঔষধ সেবন করার পরে চিনি মিশ্রিত হালকা গরম দুধ এক পোয়া পরিমাণ পান করলে যে কোন ধরনের নপুংসকতা দূর হয়ে যাবে দৈহিক দুবর্লতাও কেটে যাবে শরীরে নতুন শক্তি সঞ্চয় করবে।

৫। তালমাখানার বীজ ৩ গ্রাম, মিছরী ১২ গ্রাম ও কুঁচবীজ ৩ গ্রাম। উপরের ঔষধগুলো চূর্ণ করে কাপড়ে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একপোয়৷ পরিমাণ দুধের সঙ্গে মিশায়ে প্রত্যহ সন্ধায় সেবন করতে হবে। একই পদ্ধতিতে প্রস্তু করে এক মাস সেবন করলে যে কোন ধরনের নপুংসকতা দূর হবে।

৬। হস্ত মৈথুন বা মলদ্বার মৈথুনের জন্য অতিরিক্ত বীর্জপাতের ফলে নপুংসকতা দেখা দিলে নিচের ঔষধ ব্যবহার করুন। কৃষ্ণ তিল চূর্ণ ৩ গ্রাম ও গোক্ষুর চূর্ণ ৩ গ্রাম চূর্ণ করে উত্তমরুফে ছেকে নিতে হবে, তারপর একপোয়া ছাগলের দুধের সাথে মিশায়ে রাতে সেবন করতে হবে। নিয়মিতি একমাস সেবন করলে নপুংসকতা থাকলে অবশ্যই তা দুর হবে।

কবিরাজী মতে কয়েকটি বাজিকরণ ঔষধ

১। মঞ্জিযঠা চূর্ণ ২ গ্রাম, মুলহঠী চূর্ণ ২ গ্রাম, ত্রিফলা চূর্ণ ২ গ্রাম, মেদ চূর্ণ গ্রাম, অশ্বগন্ধা চূর্ণ ২ গ্রাম, অজ মোেদ চূর্ণ ২ গ্রাম, দুনা হরিদ্রা চূর্ণ ২ গ্রাম, প্রিয়ঙ্গ দি ২ গ্রাম, কটকি চূর্ণ ২ গ্রাম, পদ্মের গেড় চূর্ণ ২ গ্রাম, দ্রাক্ষা চূর্ণ ২ গ্রাম, রক্ত চন্দন ২ গ্রাম, এগুলো নিয়ে উত্তমরূপে চূর্ণ করে কাপড়ে ছেকে নিতে হবে, তারপর ১০ গ্রাম শতমূলের রসের সাথে মিশায়ে অল্প আঁচে পাক করতে হবে, তারপর ১০০ গ্রাম, খাঁটি গরুর দুধ দিতে হবে। এবার অল্প আঁচে দিলে সমস্ত গলে গিয়ে যখন ঘিয়ের মতো হবে তখন নামিয়ে নিয়ে একটা শিশিতে ভরে রাখতে হবে। প্রত্যহ ১০ গ্রাম পরিমাণ উক্ত ঘৃত খেতে হবে। যে কোন কারণে নপুংসকতা, শীঘ্র পতন, শুক্র তারল্য প্রভৃতি দূর হয়ে যায়। যাতে প্রচুর রতি শক্তি সম্পন্ন হয় এ ছাড়া দেহ সুস্থ ও সবল থাকে, বল, বির্য ও মেধা শক্তি বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়াও দেহ সুস্থ ও সবল থাকে। অশ্বের ন্যায় শক্তি হয়। এদের সুস্থ এবং সবল পুত্র সন্তান জন্মায়।

বিঃ দ্রঃ ইচ্ছা করলে মেয়েরাও এ ঔষধ সেবন করে সর্ব প্রকার যোনি দোষ রোগ ভাল করতে পারে। এতে তাদের গর্ভের সন্তান দির্ঘায়ু, সুস্থ, সবল এবং মেধা সম্পন্ন হয়ে থকে।

২। গোক্ষুর ২১ গ্রাম, তাল মাখানা ২১ গ্রাম, অম্বগন্ধা ২১ গ্রাম, শতাবয়ী ২১ গ্রাম, শ্বেতমূলী ২১ গ্রাম, কুঁচবীজ ২১ গ্রাম, মুলহঠী ২১ গ্রাম, খয়োটিবীজ ২১ গ্রাম, গঙ্গেরন ছাল ২১ গ্রাম, উপরোক্ত ঔষধগুলি একত্রে মিলায়ে উত্তমরূপে চূর্ণ করে একটি বোতলে মিছরী চূর্ণ করে রাখবে। প্রত্যহ রাতে শোবার সময় ৭ গ্রাম পরিমাণ ঔষধ চূর্ণ নিয়ে এক পোয়া দুধের সাথে মিচরী মিশায়ে ঔষধের গুড়াও মিশিয়ে নিয়ে সেবন করতে হবে। নিয়মিত এক মাস পরিমাণ ঠিকমতো সেবন করলে নপুংসকতা দূর হয়ে নব যৌবন আনায়ন করবে।

৩। পাকা মিষ্টি আমের রস ১০ কিলোগ্রাম, মিছরী চূর্ণ ২ কিলোগ্রাম থেকে ৫০০ কিলোগ্রাম, গরুর ঘৃত ৭০০ গ্রাম, এগুলো একত্রে মিশিয়ে একটি মাটির পাত্রে অল্প আঁচ দিয়ে ঔষধগুলো মিশিয়ে নিতে হবে ওঁঠ ৬০ গ্রাম গোল মরিচ ৬০ গ্রাম, পিপুল ৬০ গ্রাম, পত্রজ ৫ গ্রাম দারচিনি ৫ গ্রাম, নাগেরশ্বর ৫ গ্রাম, কেশর ৫ গ্রাম, ছোট এলাচ ৫ গ্রাম, লবণ ৫ গ্রাম, জায়ফল ৫ গ্রাম কস্তুরী ২ গ্রাম, ভীমসেনী করপূর ২ গ্রাম, ও মধু ২৫ গ্রাম নিতে হবে। এবার উপরোক্ত ঔষধগুলো চূর্ণ করে কাপড়ে ছেকে নিয়ে মধু মিশাতে হবে। তারপর অল্প আঁচে পাক করতে হবে। আমের রস মিছরি ও গরুর ঘৃতের সাথে চূর্ণ মিশায়ে কিছু সময় আগুনে পাক করবে, যখন দেখবে ঠাণ্ডা হয়েছে তখন শয়নকালে এ ঔষধ ১০ গ্রাম করে নিয়ে ঠাণ্ডা পানিসহ সেবন করলে নপুংসকতা দূর হয়ে অশ্বের ন্যায় শক্তি লাভ করবে এবং রতি শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

এ ঔষধ সেবন করলে ক্ষয় কাশ, শ্বাসকষ্ট, অল্প পিত্ত, রক্ত পিত্ত, স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর হয়। এছাড়া জন্ডিসেরও উপকার হয়।

শ্রেষ্ঠ বাজীকরণ ঔষধ

যদি কোন যুবক বা বৃদ্ধের শুক্র ক্ষয়জনিত কারণে ইন্দ্ৰিয় দুর্বলতা দেখা দেয় বা বিভিন্ন খারাপ অভ্যাসের কারণে যদি নপুংসকত নেমে আসে সে ক্ষেত্রে নিচের ঔষধ ব্যবহার করলে নিশ্চয়ই আশানুরূপ ফল পাবে। যা যা দরকার : কালো তমরিচ ১ গ্রাম, দারচিনি আধা গ্রাম, চিনি ২০০ গ্রাম, ছোট এলাচ ১ গ্রাম, নাগেম্বর ১ গ্রাম, শুঠ ১ গ্রাম, পিপটুল ১ গ্রাম, গঘৃত ১ গ্রাম, মিষ্টি দধি ২০০ গ্রাম ও মধু ১৫ গ্রাম নিতে হবে।

উপরের ঔষধগুলো উত্তমরূপে গুড়া করে ছেকে নিতে হবে তারপর চিনি, মধু, দধির সাথে মিশিয়ে উত্তমরূপে মেখে নিতে হবে তারপর এই ঔষধ ৫০ গ্রাম পরিমান গরম ভাতের সহিত মিশিয়ে খেলে সহসা বীর্যপাত হবে না কবিরাজি মতে একে একটি শ্রেষ্ট বাজিকরণ ঔষধ বলা হয়েছে।

পুরুষত্ব বৃদ্ধির হালুয়া তৈরি

১। মুরগীর ডিমের হালুয়া

মুরগীর ডিমের কুসুম ২০টি, চিনি ৫০০ গ্রাম, গব্য ঘৃত ৫০০ গ্রাম উপরোক্ত দ্রব্যগুলো একসাথে উত্তমরূপে ফেটিয়ে অল্প আঁচে ফোটাতে হবে, যখন দেখবে যে গাঢ় হয়ে গেছে তখন নামিয়ে প্রত্যহ সকালে ২০ গ্রাম পরিমাণ ২১ দিনে সেবন করলে বল বৃদ্ধি হয় সাথে সাথে পুরুষত্বও বৃদ্ধি পায়।

২। ডিমের হালুয়া

মুরগির ডিম ২০টি, চিনি ৭৫০ গ্রাম, গব্য ঘৃত ৫০০ গ্রাম, গরুর দুধ কিলোগ্রাম নিতে হবে তারপর ডিমগুলো ভেঙে কুসুমগুলো নিতে হবে তার সাথে গব্য ঘৃত ও গরুর দুধ দিয়ে উত্তমরূপে ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর অল্প আঁচ দিয়ে ফুটাতে হবে। এভাবে ফুটাতে ফুটাতে যখন গাঢ় ও ঘন হয়ে আসবে তখন সাদা মুসলি ২০ গ্রাম, সালেম মিছরি ৪০ গ্রাম, কাচা বাদাম ১০০ গ্রাম, পেস্তা বাদাম অল্প আঁচে ফুটাবে যখন দেখবে যে ঘন হয়ে গেেছ তখন নামিয়ে ঠা করে নিবে। প্রত্যহ সকালে খালি পেটে ২০ গ্রাম পরিমান এ হালুয়া খেলে এক দিনে একাধিক নারী সম্ভোগের শক্তি জন্মে এবং ৮০ বছরের বৃদ্ধ ১৮ বছরের যুবকের ন্যায় শক্তি সঞ্চয় করতে পাবে।

সাবধান ডিমের হালুয়া শীতকালে ব্যবহার করতে হবে। গ্রীষ্ককালে তাঁর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ।

বল ও বীর্য বর্ধক হালুয়া 

মেম্বী ৩০০ গ্রাম, শুঠ ৭৫ গ্রাম, শতাবরী ৭৫ গ্রাম, মরিচ ২০ গ্রাম, গব্য ঘৃত ২০০ গ্রাম চিনি ১ কিলোগ্রাম, দুধ ২ কিলোগ্রাম নিতে হবে। তারপর শুঠ, শতাবরী ও মরিচ উত্তমরূপে চূর্ণ করে পরিষ্কার কাপড়ে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর উনুনে পাত্র চাপিয়ে দুধ ঢেলে দিতে হবে উক্ত দুধ ঘন হয়ে উঠলে তাতে উক্ত চূর্ণ গুলো ঢেলে দিয়ে এমনভাবে নাড়তে হবে যাতে বসে না যায়। যখন এক কিলো থাকবে তখন তাতে চিনি ঢেলে দিয়ে ফোটাবে আধা কিলো হলে তাতে ঘি ঢেলে দিয়ে নাড়তে থাকবে নাড়তে নাড়তে যখন একদম গাঢ় হয়ে যাবে তখন নামায়ে ১০-১২ গ্রাম এক একটা বড়ি করে নিবে প্রত্যহ দুপুরে একটি করে বড়ি তিন সপ্তাহ সেবন করলে স্বপ্নদোষ, শীঘ্রহ পতন, বয়স বৃদ্ধির কারণে রতিহীনতা, কোমরের বাতবেদনা, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অগ্নিমন্দা, বদহজম, মাথা যন্ত্রণা প্রভৃতি রোগে বিশেষ ফল দায়ক। নারী ও পুরুষ উভয়ে খেতে পারবে । 

বিঃ দ্রঃ শীতকাল ব্যতীত এ ঔষধ সেবন করবেন না। গ্রীষ্মকালে এর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন